স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও নিজস্ব মুদ্রা ছাপাতে পারছে না বাংলাদেশ! কোথা থেকে আসছে টাকার নোট?
मुख्य बातें
- •স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও বাংলাদেশ নিজস্ব মুদ্রা উৎপাদনে সক্ষম নয়।
- •বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশের বিশেষায়িত কারখানা থেকে মুদ্রা আমদানি করে।
- •দেশে মুদ্রা উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও অবকাঠামোর অভাব রয়েছে।
- •সরকার মুদ্রা উৎপাদনের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে, তবে সম্পূর্ণ হতে কয়েক বছর সময় লাগবে।
- •অর্থনীতিবিদরা দেশে মুদ্রা উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার উপর জোর দিচ্ছেন।
স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ এখনও নিজস্ব মুদ্রা ছাপানোর ক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকও সরাসরি মুদ্রা উৎপাদনে জড়িত নয়। ফলে বাংলাদেশের প্রচলিত টাকার নোট এবং কয়েন বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়ে থাকে। এই বিষয়টি অনেকের কাছেই অজানা হলেও এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতার একটি অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের টাকার নোট এবং কয়েন প্রধানত যুক্তরাজ্য, জার্মানি এবং ফ্রান্সের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোর বিশেষায়িত মুদ্রা উৎপাদন কারখানায় ছাপানো হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান হলো দ্য রয়্যাল মিন্ট (যুক্তরাজ্য), গিসেলা এন্ড ডিপিএ (জার্মানি) এবং ব্যাংক নোট প্রিন্টার্স (ফ্রান্স)। এই প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে উচ্চ নিরাপত্তাযুক্ত মুদ্রা উৎপাদন করে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংক এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে মুদ্রা সরবরাহ গ্রহণ করে। তবে এই প্রক্রিয়ায় সময় এবং ব্যয় দুটিই বেশি হওয়ায় অর্থনীতিবিদরা দেশে মুদ্রা উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার তাগিদ দিচ্ছেন।
