আট বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের একাধিক অঞ্চল, কোথায় কোথায় সংঘটিত হল কম্পন?
मुख्य बातें
- •গত ২৩ মে একদিনেই ভারত ও নেপালসহ মোট আটবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
- •সর্বাধিক তীব্রতার কম্পনটি ছিল রিখটার স্কেলে ৬.১ মাত্রার, কেন্দ্রস্থল ছিল নেপালের ডোলাখা জেলা।
- •ভারতের উত্তরাখণ্ড, সিকিম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারে কম্পনের প্রভাব পড়েছে।
- •ভূবিজ্ঞানীরা এই অঞ্চলে বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলসহ প্রতিবেশী দেশগুলিতে শুক্রবার অর্থাৎ গত ২৩ মে একদিনেই মোট আটবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের এই পর্যায়ক্রমিক কম্পনে জনমনে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) এবং মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, সর্বাধিক তীব্রতার কম্পনটি ঘটেছে মধ্যাহ্নের দিকে, যা রিখটার স্কেলে ৬.১ মাত্রার ছিল। এই কম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত ডোলাখা জেলা। তবে ভারতের উত্তরাখণ্ড ও সিকিমেও একাধিকবার কম্পন অনুভূত হয়েছে।
প্রথম কম্পনটি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অনুভূত হয় নেপালে, যার মাত্রা ছিল ৪.৫। এরপর দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিটে সংঘটিত হয় প্রধান কম্পনটি, যার কেন্দ্র ছিল ডোলাখা জেলা। এই কম্পনের প্রভাব ভারতের উত্তরাখণ্ড, সিকিম, পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারেও পড়েছে। এর পরে ধাপে ধাপে আরও ছয়বার কম্পন অনুভূত হয়, যার মধ্যে সর্বনিম্ন মাত্রা ছিল ৩.৫ এবং সর্বোচ্চ ছিল ৫.২। সন্ধ্যা ৬টার দিকে শেষ কম্পনটি অনুভূত হয় আসামের কাছাড় জেলায়, যার মাত্রা ছিল ৪.০।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ, কারণ এটি হিমালয়ান টেকটনিক প্লেটের সীমানায় অবস্থিত। ভূবিজ্ঞানীরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে, এই অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিকম্পের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দিনে এতবার কম্পন অনুভূত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং জরুরি প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
