পশ্চিম মেদিনীপুরে ক্ষুদিরামের ফাঁসির স্মরণে পালিত হল আত্মবলিদান দিবস
मुख्य बातें
- •ক্ষুদিরাম বসুকে ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট বিহারের মুজাফফরপুর জেলে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল।
- •তাঁর জন্ম হয়েছিল তৎকালীন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মোহবনি গ্রামে।
- •পশ্চিম মেদিনীপুরে ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
- •তাঁর জীবন ও আদর্শ আজও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের তরফে পালিত হল ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবস। ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট বিহারের মুজাফফরপুর জেলে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। তাঁর এই আত্মত্যাগকে স্মরণ করে জেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও সমাজসেবী সংগঠনগুলি নানা কর্মসূচির আয়োজন করে।
ক্ষুদিরাম বসু ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম কনিষ্ঠ বিপ্লবী। তাঁর জন্ম হয়েছিল তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার তমলুক মহকুমার অন্তর্গত মোহবনি গ্রামে, যা বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অবস্থিত। মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়ার ঘটনা তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। তাঁর ফাঁসির ঘটনা পরবর্তীকালে আরও অনেক তরুণকে স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দিতে অনুপ্রাণিত করেছিল।
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় পালিত এই দিবসে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ক্ষুদিরামের জীবনী নিয়ে আলোচনা সভা, রচনা প্রতিযোগিতা ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষুদিরামের প্রতিকৃতি স্থাপন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়া, তাঁর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে প্রচারপত্র বিতরণ করা হয়।
