বাদুড়িয়ায় আলু নয়, শাকআলু চাষেই কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে নতুন ট্রেন্ড
मुख्य बातें
- •পূর্ব বর্ধমানের বাদুড়িয়া অঞ্চলে কৃষকরা আলু চাষ ছেড়ে শাকআলু চাষে ঝুঁকছেন।
- •শাকআলু চাষে আলুর তুলনায় কম খরচ এবং বেশি লাভ হওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হচ্ছেন।
- •স্থানীয় কৃষক সমিতির সম্পাদক রবিন মণ্ডলের মতে, শাকআলুর বাজার চাহিদা বেশি এবং দামও ভালো পাওয়া যায়।
- •কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় শাকআলু চাষের পরিমাণ প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
- •শাকআলু চাষে প্রতি বিঘায় খরচ হয় মাত্র ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা, যেখানে আলু চাষে খরচ হত ১৫ হাজার টাকা।
পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার বাদুড়িয়া অঞ্চলের কৃষকদের মুখে এখন হাসি ফুটছে। আলু চাষের পরিবর্তে তারা এখন শাকআলু চাষে মনোনিবেশ করছেন। এই নতুন কৃষি ট্রেন্ড তাদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের মতে, শাকআলু চাষে আলুর তুলনায় অনেক কম খরচ হয় এবং ফলনও বেশি হয়। এছাড়া, শাকআলুর বাজার চাহিদাও বেশি থাকায় দ্রুত বিক্রিও সম্ভব হচ্ছে।
বাদুড়িয়ার কৃষক সমিতির সম্পাদক রবিন মণ্ডলের কথায়, "আগে আমরা আলু চাষ করতাম, কিন্তু দাম কম থাকায় লাভ হত না। এখন শাকআলু চাষ শুরু করার পর থেকে আমাদের আয় বেড়েছে। শাকআলুর দামও ভালো পাওয়া যায় এবং বাজারে এর চাহিদাও বেশি।" তিনি আরও জানান, শাকআলু চাষের জন্য বিশেষ কোনও যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয় না এবং পরিচর্যাও সহজ। ফলে নতুন কৃষকরাও এই চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বাদুড়িয়া অঞ্চলে প্রায় ৫০০ কৃষক এখন শাকআলু চাষ করছেন। গত বছরের তুলনায় এই চাষের পরিমাণ প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের সুপারিনটেনডেন্ট ড. অরিন্দম পাল বলেন, "শাকআলু একটি পুষ্টিকর সবজি এবং এর চাহিদা বাজারে ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি চাষ করাও সহজ এবং কম সময়ে ফলন পাওয়া যায়। ফলে কৃষকদের জন্য এটি একটি লাভজনক বিকল্প হয়ে উঠছে।"
