কাঠের বাক্সে সিমেন্ট-ফেনার মিশ্রণে মৃতদেহ গেঁথে রাখা, পরকীয়ার জেরে ডায়েটিশিয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ
मुख्य बातें
- •কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকা থেকে তরুণী প্রিয়াঙ্কা দাসের মৃতদেহ উদ্ধার সিমেন্ট-ফেনার মিশ্রণে গেঁথে রাখা অবস্থায়।
- •মৃত তরুণী ছিলেন একজন ডায়েটিশিয়ান এবং কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন তাঁর পরিবার।
- •স্বামী সৌরভ দাসের বিরুদ্ধে পরকীয়া ও হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
- •পুলিশ সৌরভের বিরুদ্ধে হত্যা ও মৃতদেহ লুকিয়ে রাখার মামলা দায়ের করেছে।
কলকাতার পার্ক সার্কাস এলাকায় এক ভয়ঙ্কর হত্যার ঘটনা সামনে এসেছে। স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এক তরুণীর মৃতদেহ পাওয়া গেছে একটি কাঠের বাক্সের মধ্যে, যেটি সিমেন্ট ও ফেনার মিশ্রণ দিয়ে শক্ত করে গেঁথে রাখা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, মৃত তরুণীটির নাম ছিল প্রিয়াঙ্কা দাস (২৬)। তিনি কলকাতার একটি নামী হাসপাতালে ডায়েটিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, প্রিয়াঙ্কার পরিবার কয়েকদিন ধরে তাঁর কোনও খোঁজ পাচ্ছিলেন না। অবশেষে গতকাল অর্থাৎ ১৫ই অক্টোবর, পার্ক সার্কাসের একটি বাড়ির নিচতলায় অবস্থিত একটি খালি ফ্ল্যাট থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহটি একটি কাঠের বাক্সের মধ্যে পাওয়া যায়, যেটি সিমেন্ট ও ফেনার মিশ্রণ দিয়ে সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়েছিল। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মৃতদেহটির অবস্থা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে তাকে কয়েকদিন আগেই হত্যা করা হয়েছিল।
পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে যে প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে তাঁর স্বামী সৌরভ দাসের (৩০) পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, সৌরভ একজন ব্যবসায়ী এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কাকে হত্যার পর তাঁর মৃতদেহ লুকিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সৌরভ স্বীকার করেছেন যে তিনি প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। তবে তিনি হত্যার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।
